ডোমকলে ইডির অভিযান, বাংলাদেশি অনুপ্রবেশ ও জাল নথি চক্রের তদন্তে জিজ্ঞাসাবাদ

মুর্শিদাবাদের ডোমকল থানার অন্তর্গত পার রঘুনাথপুর গ্রামে শুক্রবার সকালে অভিযান চালায় এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। সকাল প্রায় সাড়ে ৮টা নাগাদ ইডির একটি প্রতিনিধি দল গ্রামে পৌঁছে মির রাকিব আলির বাড়িতে তল্লাশি শুরু করে। বাড়িতে প্রবেশের পর সদর দরজা বন্ধ করে দেওয়া হয়।

স্থানীয় সূত্রের দাবি, ওই বাড়িতে মির রাকিব আলির জামাই আদিল উল রহমান থাকেন। ইডির আধিকারিকরা তাঁকে দীর্ঘ সময় ধরে জিজ্ঞাসাবাদ করছেন। স্থানীয়দের একাংশের দাবি, আদিল বাংলাদেশের একটি জাল নথি তৈরির চক্রের সঙ্গে যুক্ত থাকতে পারেন।

ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, সারা দেশে মোট ১৩টি জায়গায় একযোগে তল্লাশি চালানো হচ্ছে। উত্তরপ্রদেশ অ্যান্টি টেররিজম স্কোয়াড (এটিএস)-এর দায়ের করা একটি এফআইআরের ভিত্তিতে এই তদন্ত শুরু হয়েছে। অভিযোগ, একটি সংঘবদ্ধ চক্র অবৈধভাবে রোহিঙ্গা ও বাংলাদেশি নাগরিকদের ভারতে অনুপ্রবেশে সাহায্য করত, তাদের জন্য জাল ভারতীয় পরিচয়পত্র তৈরি করত এবং দেশের বিভিন্ন প্রান্তে পুনর্বাসনের ব্যবস্থাও করত।

তদন্তে আরও উঠে এসেছে, কয়েকটি দাতব্য ট্রাস্ট ও সংস্থার মাধ্যমে বিদেশি অনুদানের অর্থ বিভিন্ন ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ও ‘মিউল অ্যাকাউন্ট’-এর মাধ্যমে ঘুরিয়ে এই অবৈধ কর্মকাণ্ডে ব্যবহার করা হয়েছে বলে সন্দেহ করছে ইডি। এছাড়াও নগদ অর্থ উত্তোলন এবং একাধিক ছোট অঙ্কের লেনদেনের মাধ্যমে সন্দেহভাজনদের কাছে অর্থ পৌঁছে দেওয়ার অভিযোগও তদন্তে সামনে এসেছে।

তবে ডোমকলে অভিযানের সঙ্গে এই মামলার নির্দিষ্ট যোগসূত্র বা আদিল উল রহমানের বিরুদ্ধে কী কী অভিযোগ রয়েছে, সে বিষয়ে এখনও পর্যন্ত ইডির তরফে আনুষ্ঠানিকভাবে বিস্তারিত কিছু জানানো হয়নি। তদন্ত চলছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *