ঈদে ঘরে ফেরার ভোগান্তি কমাতে রেলমন্ত্রীকে চিঠি ইউসুফ পাঠানের

নিজস্ব সংবাদদাতা, বহরমপুর: আসন্ন পবিত্র ঈদ-উল-ফিতর। আর এই উৎসবকে কেন্দ্র করে প্রতি বছরের মতো এবারও মুর্শিদাবাদগামী ট্রেনগুলোতে উপচে পড়া ভিড় সামাল দেওয়া রেলের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ। এই পরিস্থিতিতে জেলার মানুষের যাতায়াত সুগম করতে সরাসরি রেলমন্ত্রীর দ্বারস্থ হলেন বহরমপুরের সাংসদ ইউসুফ পাঠান। শিয়ালদহ ও কলকাতা স্টেশন থেকে লালগোলাগামী একগুচ্ছ বিশেষ ট্রেনের দাবিতে সরব হয়েছেন তিনি।

সাংসদ ইউসুফ পাঠান গত ৫ মার্চ রেলমন্ত্রী অশ্বিনী বৈষ্ণবকে একটি চিঠি পাঠিয়েছেন। সেখানে তিনি দুটি পর্যায়ের পরিকল্পনার কথা উল্লেখ করেছেন

  • ঘরে ফেরা (১৩-২০ মার্চ): এই সময়ে শিয়ালদহ–লালগোলা এবং কলকাতা–লালগোলা রুটে বিশেষ ট্রেন চালানোর আবেদন জানিয়েছেন তিনি, যাতে পরিযায়ী শ্রমিক ও ভিন জেলায় কর্মরত মানুষ নিরাপদে বাড়ি ফিরতে পারেন।
  • কর্মে ফেরা (২২-২৫ মার্চ): ঈদের ছুটি শেষে যারা পুনরায় কর্মস্থলে ফিরবেন, তাঁদের সুবিধার্থে ফিরতি বিশেষ ট্রেনের দাবিও জানানো হয়েছে।

সাংসদের কথায়, “ঈদের সময় সাধারণ মানুষের কষ্ট আমি বুঝি। এই বাড়তি ট্রেনগুলো চললে নিয়মিত ট্রেনের চাপ কমবে এবং মানুষের যাত্রা নিরাপদ হবে।” একই বিষয়ে তিনি শিয়ালদহ ডিভিশনের ডিআরএম রাজীব সাক্সেনার সঙ্গেও যোগাযোগ করেছেন।

খাগড়াঘাটে বন্দে ভারতথামানোর উদ্যোগ

শুধু বিশেষ ট্রেন নয়, বহরমপুরবাসীর দীর্ঘদিনের দাবি মেনে খাগড়াঘাট রোড স্টেশনে বন্দে ভারত এক্সপ্রেস-এর স্টপেজ দেওয়ার বিষয়েও বড় পদক্ষেপ নিচ্ছেন ইউসুফ পাঠান। বর্তমানে এই ট্রেনটি আজিমগঞ্জ স্টেশনে দাঁড়ায়, যা বহরমপুর শহর থেকে প্রায় ২০-২৫ কিলোমিটার দূরে।

রানিনগরের বিধায়ক সৌমিক হোসেন এই বিষয়টি সাংসদের নজরে আনেন। সৌমিক হোসেন জানান, “বন্দে ভারত আজিমগঞ্জে দাঁড়ানোয় বহরমপুরের মানুষের খুব একটা সুবিধা হচ্ছে না। খাগড়াঘাটে স্টপেজ দিলে গোটা মহকুমা উপকৃত হবে।” ইউসুফ পাঠান আশ্বস্ত করেছেন যে, আগামী ৯ মার্চ তিনি সংসদের অধিবেশনে এই প্রস্তাবটি জোরালোভাবে উত্থাপন করবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *