নিউজ ফ্রন্টঃ
নেপালে চলমান অশান্তি ও সহিংস বিক্ষোভ নিয়ন্ত্রণে সেনাবাহিনী সরাসরি দায়িত্ব নেওয়ার পর নতুন মোড় নিল পরিস্থিতি। সেনাপ্রধান জেনারেল সিগডেল মঙ্গলবার গভীর রাতে রাজধানী কাঠমাণ্ডুর সেনা সদর দফতরে জেন-জেড প্রজন্মের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন।
সূত্রের খবর, এই বৈঠকটি আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সংলাপ ছিল না; বরং তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি, বিশেষত জেন-জি গোষ্ঠীর ভাবনা ও ক্ষোভ বোঝার উদ্দেশ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়। নেপালের সাম্প্রতিক বিক্ষোভে তরুণদের সক্রিয় অংশগ্রহণ লক্ষ্য করা গেছে, যা প্রশাসনের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।
নেপাল সেনার এক উচ্চপদস্থ কর্মকর্তা জানিয়েছেন, এটি ছিল পরিস্থিতি শান্ত করার একটি প্রাথমিক পদক্ষেপ। সেনাবাহিনী চায় তরুণ প্রজন্ম সরাসরি তাদের মতামত জানাক, যাতে অরাজকতা এড়ানো যায়। একই সঙ্গে সেনাবাহিনী দেশজুড়ে বিশেষ নিরাপত্তা প্রক্রিয়া শুরু করেছে। সেনার পক্ষ থেকে সাধারণ মানুষকেও লুটপাট, অগ্নিসংযোগ ও ভাঙচুর প্রতিরোধে সহযোগিতা করার আহ্বান জানানো হয়েছে।
সেনার মুখপাত্র জানিয়েছেন, রাজধানী কাঠমাণ্ডুর বানেশ্বর এলাকায় জাতীয় বাণিজ্য ব্যাঙ্কে সংঘটিত ডাকাতির ঘটনায় জড়িত পাঁচজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পাশাপাশি কাঠমাণ্ডু ও ভক্তপুর জেলার একাধিক এলাকায় লুটপাট ও অরাজক কার্যকলাপে জড়িত আরও ২১ জনকে আটক করা হয়েছে।
গত কয়েক সপ্তাহ ধরে নেপালে রাজনৈতিক অস্থিরতা, মূল্যবৃদ্ধি ও কর্মসংস্থানের অভাবকে কেন্দ্র করে তীব্র অসন্তোষ ছড়িয়ে পড়েছে। বিশেষত তরুণ সমাজ প্রতিবাদে সামনের সারিতে রয়েছে। সেনাবাহিনী পরিস্থিতি সামলানোর চেষ্টা করলেও পরিস্থিতি দ্রুত কোন দিকে গড়াবে তা নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে।