জিলিপি-সিঙাড়ায় কোনও সতর্কতা লেবেল নয়, জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক

News Front | ১৫ জুলাই | নয়াদিল্লি

দেশীয় খাবার যেমন শিঙাড়া, জিলিপি বা লাড্ডুর উপর কোনও ‘সতর্কতামূলক লেবেল’ বসানো হবে—এই মর্মে যে রিপোর্ট সম্প্রতি কিছু সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত হয়েছে, তা ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বলে জানাল কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রক।

শুধুই এক স্বাস্থ্য সচেতনতা বার্তা

স্বাস্থ্য মন্ত্রক স্পষ্ট করেছে, তারা কোনও খাবার বা স্ন্যাকসের উপর আলাদা করে সতর্কতামূলক লেবেল জুড়তে বলেনি। বরং, অফিস, ক্যান্টিন, লবি বা মিটিং রুমে একটি সাধারণ সচেতনতামূলক বোর্ড বসানোর কথা বলা হয়েছে যাতে কর্মরত মানুষরা চর্বি ও চিনি জাতীয় খাবার থেকে দূরে থাকেন এবং স্বাস্থ্যকর বিকল্প বেছে নিতে পারেন।

ভারতীয় স্ট্রিট ফুডকে নিশানা করা হয়নি

সরকারি বিবৃতিতে বলা হয়েছে—এই উপদেশটি কোনও খাবারকে বিশেষভাবে নিশানা করে না। এটি দেশের ঐতিহ্যবাহী স্ট্রিট ফুড সংস্কৃতিকে অবমাননা করে না।
বরং, ওবেসিটি, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপের মতো জীবনঘনিষ্ঠ রোগ নিয়ন্ত্রণে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে এই পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের উপদেশ অনুযায়ী, নাগরিকদের মধ্যে স্বাস্থ্য সচেতনতা বাড়াতে বেশ কিছু পদক্ষেপের পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। এতে ফল, শাকসবজি এবং লো-ফ্যাট খাবার বেছে নেওয়ার কথা বলা হয়েছে, যাতে খাবারের গুণমান বজায় থাকে ও শরীর সুস্থ থাকে। পাশাপাশি, অফিসে সিঁড়ি ব্যবহার, সংক্ষিপ্ত এক্সারসাইজ ব্রেক রাখা এবং হাঁটার রুট তৈরি করে কর্মস্থলে শারীরিক সক্রিয়তা বাড়ানোর পরামর্শও দেওয়া হয়েছে। এছাড়াও, প্রতিদিনের খাদ্যাভ্যাসে অতিরিক্ত তেল ও চিনি গ্রহণের বিষয়ে সতর্ক থাকার বার্তা দেওয়া হয়েছে, যা ওবেসিটি, ডায়াবেটিস এবং অন্যান্য জীবনধর্মী রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করতে পারে।

এই উদ্যোগটি ‘National Programme for Prevention and Control of Non-Communicable Diseases’ (NP-NCD)-এর আওতায় নেওয়া হয়েছে। মন্ত্রক জানিয়েছে, “এটি শুধুমাত্র একটি আচরণগত প্রেরণা (Behavioural Nudge), কোনও আইন বা জবরদস্তি নয়।”

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *