অমিত শর্মা, বরিষ্ঠ সাংবাদিক | ২৭ আগস্ট, ২০২৫
বর্তমানে দেশে ভোটার তালিকা নিয়ে রাজনৈতিক বিতর্কের আড়ালে গোপনে একটি নতুন কৌশল তৈরি হচ্ছে। ‘ভাষাগত পরিচয়’-এর নামে আবারও বিভাজনের চেষ্টা চলছে। পশ্চিমবঙ্গ এবার এই কৌশলের পরীক্ষাগার এবং এর নেতৃত্ব দিচ্ছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় । ২০২৬ সালের নির্বাচনের এক বছর আগে শুরু হওয়া এই প্রক্রিয়া বাংলায় অশান্তির বীজ বপন করতে পারে। এটি রাজনৈতিক কর্মীদের হত্যা এবং অত্যাচারের মতো ঘটনা উস্কে দিতে পারে। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এটিকে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলাভাষীদের কথিত নিপীড়ন এবং বাংলা পরিচয়ের সঙ্গে যুক্ত করার চেষ্টা করলেও, তার দাবির বাস্তবতা, এই প্রচারের পেছনের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য এবং সম্ভাব্য ফলাফল বিবেচনা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
ভাষার নামে বিভেদের খেলায় কি নির্বাচনী বৈতরণী পার হবে?
২০২৬ সালে পশ্চিমবঙ্গে বিধানসভা নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। তাই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কেন এক বছর আগে থেকেই বাংলা ভাষার তাস খেলছেন, তার উদ্দেশ্য বোঝা কঠিন নয়। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই বাংলা পরিচয়ভিত্তিক আন্দোলন এখন ভাষা ছাড়িয়ে সিনেমা পর্যন্ত পৌঁছে গেছে। নেতাদের শুধু বাংলায় ভাষণ দেওয়ার নির্দেশের পর তৃণমূল কংগ্রেস সরকার আদেশ দিয়েছে যে পশ্চিমবঙ্গের সমস্ত সিনেমা হলে প্রাইম টাইমে অন্তত একটি বাংলা সিনেমা বাধ্যতামূলকভাবে প্রদর্শন করতে হবে। এই প্রচার থেকে এটা স্পষ্ট যে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভাষার নামে উগ্রতা এবং বিভেদকে নির্বাচনী বৈতরণী পার হওয়ার বড় হাতিয়ার মনে করছেন। কিন্তু গুরুতর প্রশ্ন হলো, এর ফলাফল কী হবে? এটি বোঝার জন্য মমতার বিবৃতি থেকে বেরিয়ে এসে আসল তথ্যের দিকে নজর দেওয়া দরকার। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী এই প্রচারের পেছনে বাংলাভাষীদের কথিত নিপীড়নকে কারণ হিসেবে দেখিয়েছেন। তাই মমতার এই দাবির বাস্তবতা জানতে এটা জানা অত্যন্ত জরুরি যে, আসলেই কি বাংলার মানুষ ভাষার নামে নিপীড়িত হচ্ছে, নাকি এই প্রচার শুধুই বিভেদের একটি চেষ্টা?
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের দাবি এবং বাস্তবতা
উপরোক্ত প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগে ভারতে বাংলা ভাষার অবস্থান জানা জরুরি। ২০১১ সালের জনগণনা অনুসারে, ভারতে বাংলাভাষী (মাতৃভাষা) মানুষের সংখ্যা প্রায় ৯৭,২৩৭,৬৬৯, যা মোট জনসংখ্যার ৮.০৩%। যদি শুধু মাতৃভাষা হিসেবে নয়, অন্য কোনো ক্রমের ভাষা হিসেবেও বাংলাভাষীদের গণনা করা হয়, তাহলে মোট সংখ্যা বেড়ে প্রায় ১০৭.৪৬ মিলিয়ন (১০.৭৫ কোটি) হয়। এভাবে বাংলা হিন্দি ভাষার পর ভারতের দ্বিতীয় সর্বাধিক ব্যবহৃত ভাষা। শুধু তাই নয়, ইন্টারনেটেও বাংলা ভাষার ব্যবহার বেড়েছে। KPMG-Nielsen-এর তথ্য অনুযায়ী, ২০২১ সাল পর্যন্ত ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের ৪৬% বাংলা ভাষা ব্যবহারকারী হতে পারে।
সত্য থেকে বহু দূরে একটি গল্প গড়ার চেষ্টা
রাজ্যভিত্তিক বাংলা ভাষার অবস্থানের কথা বললে, বাংলা ছাড়াও অন্যান্য রাজ্যেও বাংলা ভাষা প্রচলিত আছে। আসামের বরাক উপত্যকায় ২.৯৩ মিলিয়ন মানুষ বাংলা ভাষায় কথা বলেন, যা সেখানকার জনসংখ্যার ৮০.৮৪%। ব্রহ্মপুত্র উপত্যকায় ৬.০৯ মিলিয়ন মানুষ বাংলা বলেন, যা মোট জনসংখ্যার ২২.০৯%। ত্রিপুরায় ২.৪১ মিলিয়ন মানুষ বাংলা বলেন, যা সেখানকার জনসংখ্যার ৬৭.৭৩%। আন্দামান ও নিকোবরে ১.০৮ লক্ষ মানুষ বাংলা লেখেন ও বলেন, যা সেখানকার জনসংখ্যার ২৮.৪৯%। দেশের রাজধানী দিল্লিতেও বাংলাভাষী মানুষের সংখ্যা অনেক, প্রায় ২.১৬ লক্ষ মানুষ এখানে গর্বের সঙ্গে বাংলা বলেন। এখানকার অনেক এলাকায়, বিশেষ করে চিত্তরঞ্জন পার্কের মতো বসতিগুলিতে বাংলা একটি গুরুত্বপূর্ণ সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য বহন করে, যা বাংলা সংস্কৃতির অন্যতম কেন্দ্র।
এখানে একটি বিষয় লক্ষণীয় যে, যে রাজ্যগুলির কথা বলা হয়েছে, সেগুলি হলো আসাম, ত্রিপুরা এবং দিল্লি – যেখানে বিজেপি সরকার রয়েছে, আর আন্দামান ও নিকোবর একটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল। অর্থাৎ, মমতার এই দাবি যে বিজেপি-শাসিত রাজ্যগুলিতে বাংলাভাষীরা অত্যাচারিত হচ্ছে, তা সত্য থেকে বহু দূরে এবং কাল্পনিক প্রমাণিত হয়। যদি সত্যিই বাংলাভাষীদের ওপর অত্যাচার হতো, তাহলে সংখ্যাটি অন্যরকম হতো। এবার এর সম্ভাব্য ফলাফলের দিকে আসা যাক।
ভাষার নামে বিভেদের সম্ভাব্য ফলাফল
গত কয়েক বছরে ভারতে ভাষার প্রশ্ন কেবল সাংস্কৃতিক পরিচয় নয়, বরং বহুবার এটি রাজনীতি, আঞ্চলিক পরিচয় এবং ক্ষমতার সংগ্রামের সঙ্গে যুক্ত হয়ে এমন আন্দোলনে রূপান্তরিত হয়েছে যা সহিংসতা ও বৈষম্যের কারণ হয়েছে। এর বেশ কিছু উদাহরণ আছে।
তামিলনাড়ু এবং হিন্দি-বিরোধী আন্দোলন
ভাষাগত রাজনীতির সবচেয়ে বড় উদাহরণ হলো তামিলনাড়ু। স্বাধীনতার পর যখন সরকার ধীরে ধীরে হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা করার দিকে পদক্ষেপ নেয়, তখন দক্ষিণ ভারত, বিশেষত তামিলনাড়ুতে এর তীব্র বিরোধিতা হয়। ১৯৬৫ সালে যখন হিন্দিকে রাষ্ট্রভাষা করার সময়সীমা ঘনিয়ে আসে, তখন ব্যাপক আন্দোলন শুরু হয়। ছাত্ররা আত্মাহুতি দেয় এবং পুলিশের গুলিতে অনেকে মারা যান। এই সহিংসতা উত্তর ভারতীয় এবং হিন্দিভাষীদের প্রতি গভীর নিরাপত্তাহীনতা এবং অবিশ্বাসের জন্ম দেয়।
মহারাষ্ট্র এবং ‘মারাঠি মানুষ’-এর রাজনীতি
মহারাষ্ট্রে ভাষা এবং আঞ্চলিক পরিচয়ের প্রশ্ন মুম্বাই এবং কর্মসংস্থানের সঙ্গে জড়িত ছিল। ১৯৬০ সালে সংযুক্ত মহারাষ্ট্র আন্দোলন মুম্বাইকে মহারাষ্ট্রের অংশ করার দাবি জানায়, যা হিংসাত্মক সংঘর্ষের জন্ম দেয়। এরপর শিবসেনা ‘মারাঠি মানুষ’ স্লোগান দিয়ে প্রথমে দক্ষিণ ভারতীয় এবং পরে উত্তর ভারতীয় অভিবাসীদের লক্ষ্য করে। হিন্দিভাষী অভিবাসীদের ওপর হামলা, দোকানের বয়কট এবং চাকরি থেকে বিতাড়নের মতো ঘটনাগুলি মুম্বাইয়ের মতো মহানগরে ভাষাগত বৈষম্যের গভীর রেখা তৈরি করে।
অন্ধ্রপ্রদেশ এবং ভাষাগত রাজ্যগুলির পুনর্গঠন
ভারতে রাজ্যগুলির ভাষাগত ভিত্তিতে পুনর্গঠন প্রথমে অন্ধ্রপ্রদেশ থেকেই শুরু হয়। ১৯৫২ সালে পোট্টি শ্রীরামুলু একটি পৃথক তেলুগুভাষী রাজ্যের দাবিতে আমরণ অনশন করেন এবং তার মৃত্যুর পর ১৯৫৩ সালে আন্ধ্র রাজ্য গঠিত হয়। যদিও এটি অন্যান্য রাজ্যেও ভাষাগত আন্দোলনের ঢেউ তোলে। পরে তেলেঙ্গানা আন্দোলনেও তেলেগুভাষী সমাজের মধ্যে আঞ্চলিক বিভাজন গভীর হয়, যা সহিংসতা এবং বৈষম্যের জন্ম দেয়।
পাঞ্জাবি বনাম হিন্দির সংঘাত
পাঞ্জাবে ভাষা এবং ধর্মের প্রশ্ন গভীরভাবে জড়িত ছিল। ১৯৬০-এর দশকে পাঞ্জাবিকে দাপ্তরিক মর্যাদা দেওয়ার আন্দোলন রাজ্যকে বিভক্ত করে দেয়। হিন্দিভাষী অঞ্চলগুলিকে হরিয়ানা এবং হিমাচলে পৃথক করা হয়। কিন্তু এই ভাষাগত-সাংস্কৃতিক বিভাজন পরে পরোক্ষভাবে বিচ্ছিন্নতাবাদ এবং সন্ত্রাসবাদকে উৎসাহিত করে। পাঞ্জাবি বনাম হিন্দির বিরোধ কেবল প্রশাসনিক সিদ্ধান্তের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং সামাজিক বিদ্বেষ এবং অবিশ্বাসের ভিত্তি এবং রাজনৈতিক হাতিয়ার হয়ে ওঠে।
আসাম এবং বাংলা ভাষা বিতর্ক
উত্তর-পূর্ব ভারতে ভাষার প্রশ্ন সবচেয়ে জটিল এবং হিংসাত্মক রূপ ধারণ করে। ১৯৬১ সালে আসাম সরকার অসমিয়াকে বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নেয়। বাংলাভাষী সমাজ এর তীব্র বিরোধিতা করে। শিলচরে পুলিশের গুলিতে ১১ জন আন্দোলনকারী মারা যান, যাদের ‘ভাষা শহীদ দিবস’ হিসেবে স্মরণ করা হয়। এর পর ১৯৮০-এর দশকে আসাম আন্দোলন ‘বিদেশী’র নামে বাংলাভাষী সম্প্রদায়কে প্রধান লক্ষ্য করে। ব্যাপক সহিংসতা এবং বাস্তুচ্যুতির কারণে অসমিয়া-বাংলা সমাজের মধ্যে একটি স্থায়ী বিভেদ তৈরি হয়।
কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ুর সংঘাত
ভাষার প্রশ্ন বহুবার জল এবং সম্পদ বিতর্কের সঙ্গেও যুক্ত হয়। কাবেরী জল বিতর্কে কর্ণাটক এবং তামিলনাড়ু উভয় রাজ্যে একে অপরের ভাষাভাষীদের ওপর হামলা হয়। দোকানপাটের ক্ষতি করা হয় এবং সাধারণ নাগরিকরা সহিংসতার শিকার হন। এতে স্পষ্ট হয় যে ভাষার রাজনীতি কেবল পরিচয়ের প্রশ্ন নয়, বরং আঞ্চলিক সম্পদের লড়াইয়েও একটি হাতিয়ার হয়ে ওঠে।
ভাষাগত রাজনীতির নেতিবাচক ফলাফল
এই সমস্ত ঘটনা থেকে কিছু সাধারণ নেতিবাচক ফলাফল সামনে আসে:
- সহিংসতা এবং মৃত্যু: বিভিন্ন আন্দোলনে হাজার হাজার মানুষ নিহত বা আহত হয়েছেন।
- সামাজিক বৈষম্য: চাকরি, শিক্ষা এবং ব্যবসায় ‘নিজের ভাষা’ বনাম ‘অন্য ভাষা’র বৈষম্য গভীর হয়েছে।
- রাজনৈতিক মেরুকরণ: ভাষাগত আবেগের উপর ভিত্তি করে রাজনৈতিক দলগুলি শক্তিশালী হয়েছে এবং জাতীয় ঐক্যকে চ্যালেঞ্জ জানিয়েছে।
- সাংস্কৃতিক অবিশ্বাস: ভিন্ন ভিন্ন ভাষাভাষী সমাজের মধ্যে স্থায়ী অবিশ্বাস এবং দূরত্ব বেড়েছে।
আঞ্চলিক ভাষার সম্মান হোক, রাজনীতি নয়
এখন প্রশ্ন আসে, এই সহিংসতাকে ভিত্তি করে কি আঞ্চলিক ভাষাগুলির অস্তিত্বকে অস্বীকার করা উচিত? এটা কোনোভাবেই উচিত নয়, এবং এমনটা কখনও হতে পারে না। এর জ্বলন্ত উদাহরণ হলো মোদি সরকারের দ্বারা আঞ্চলিক ভাষাগুলিকে সম্মান এবং উৎসাহ দেওয়ার জন্য নেওয়া পদক্ষেপ। জাতীয় শিক্ষা নীতি ২০২০-এর অধীনে প্রাথমিক স্তরে মাতৃভাষায় শিক্ষাকে উৎসাহিত করা হয়েছে এবং উচ্চ শিক্ষা ও জাতীয় পরীক্ষা (JEE, NEET, UGC ইত্যাদি) ১২টিরও বেশি ভারতীয় ভাষায় উপলব্ধ করা হয়েছে। AICTE ইঞ্জিনিয়ারিং শিক্ষা ১১টি ভাষায় শুরু করেছে, আর ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম ‘ভাষিণী’ এবং DIKSHA-তে লক্ষাধিক কনটেন্ট আঞ্চলিক ভাষায় উপলব্ধ। সম্প্রতি মারাঠি, বাংলা, অসমিয়া, পালি এবং প্রাকৃতকে শাস্ত্রীয় ভাষার মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। সংবিধানের মৈথিলী অনুবাদ প্রকাশিত হয়েছে এবং ‘ভারতীয় ভাষা অনুভাগ’ স্থাপন করা হয়েছে। একই সঙ্গে এক ভারত শ্রেষ্ঠ ভারত-এর মতো কর্মসূচি এবং কাশী-তামিল সঙ্গমের মতো উদ্যোগের মাধ্যমে ভাষাগত-সাংস্কৃতিক আদান-প্রদানকে উৎসাহিত করা হয়েছে। এই উদ্যোগগুলি থেকে স্পষ্ট যে সরকার আঞ্চলিক ভাষাগুলিকে শিক্ষা, কর্মসংস্থান, প্রশাসন এবং সংস্কৃতির কেন্দ্রবিন্দুতে এনে সেগুলিকে কেবল পরিচয়ের প্রতীক নয়, বরং উন্নয়নের একটি শক্তিশালী মাধ্যম করে তুলছে।
‘বহুভাষিক ভারত’-এর ধারণাতেই সবার কল্যাণ
এই সমস্ত প্রশ্ন এবং উত্তর থেকে এটা স্পষ্ট হয় যে ভারতের ভাষাগত বৈচিত্র্য তার সবচেয়ে বড় শক্তি, কিন্তু যখন এই বৈচিত্র্য রাজনীতির হাতিয়ার হয়ে ওঠে, তখন এটি জাতীয় ঐক্যের জন্য একটি চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়ায়। ইতিহাস সাক্ষী, ভাষার নামে চলা আন্দোলনগুলি বহুবার তাদের মূল সাংস্কৃতিক পরিচয়ের সুরক্ষা থেকে এগিয়ে গিয়ে সহিংসতা এবং বৈষম্যের কারণ হয়েছে। আজ প্রয়োজন হলো, ভাষাকে ক্ষমতার সংগ্রামের মাধ্যম না করে, বরং একটি সাংস্কৃতিক সেতু এবং যোগাযোগের মাধ্যম হিসেবে ব্যবহার করা। সংবিধান ‘বহুভাষিক ভারত’-এর যে ধারণা দিয়েছিল, তাকে বাস্তবে রূপ দেওয়াতেই দেশ ভাষাগত রাজনীতির কুফল থেকে বাঁচতে পারে।
লেখকঃ অমিত শর্মা, বরিষ্ঠ সাংবাদিক (এখানে প্রকাশিত মন্তব্য ও বিশ্লেষণ লেখকের নিজস্ব। News Front কোনোভাবেই এর জন্য দায়ী নয়।)
অনুবাদকঃ আব্দুল হালিম