নয়াদিল্লি, ১৭ মার্চ: পশ্চিমবঙ্গ, অসম, কেরল, তামিলনাড়ু এবং পুদুচেরি—এই পাঁচ রাজ্যের বিধানসভা নির্বাচন এবং ছয়টি রাজ্যের উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তা ও নজরদারি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার কমিশনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ভোট প্রক্রিয়া সুচারুভাবে সম্পন্ন করতে মোট ১,১১১ জন কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষককে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
কমিশন জানিয়েছে, নিয়োগকৃত ১,১১১ জন পর্যবেক্ষকের মধ্যে বিভিন্ন স্তরের দায়িত্ব বণ্টন করা হয়েছে।
এদের মধ্যে সাধারণ পর্যবেক্ষক (General Observers): ৫৫৭ জন, পুলিশপর্যবেক্ষক (Police Observers): ১৮৮ জন। এবং ব্যয়সংক্রান্ত পর্যবেক্ষক (Expenditure Observers): ৩৬৬ জন।
মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার নির্বাচনী নির্ঘণ্ট ঘোষণা করার সময় স্পষ্ট জানিয়েছেন যে, আসন্ন নির্বাচনগুলোকে সম্পূর্ণ হিংসামুক্ত এবং প্রলোভনমুক্ত রাখা কমিশনের প্রধান লক্ষ্য। তিনি বলেন, “প্রতিটি ভোটার যাতে কোনো ভয় বা চাপের মুখে না পড়ে নিজের ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই এই বিশাল সংখ্যক পর্যবেক্ষক নিয়োগ করা হয়েছে।”
নির্বাচন কমিশনের মতে, এই পর্যবেক্ষকরা সরাসরি ময়দানে থেকে কমিশনের ‘চোখ ও কান’ হিসেবে কাজ করবেন। নির্বাচনী বিধিভঙ্গ বা কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা ঘটছে কি না, সেদিকে কড়া নজর রাখবেন তাঁরা।
পর্যবেক্ষকদের জন্য কমিশন বেশ কিছু সুনির্দিষ্ট নির্দেশ জারি করেছে। আগামীকালের মধ্যেই সমস্ত পর্যবেক্ষককে তাঁদের নির্ধারিত বিধানসভা কেন্দ্রে পৌঁছে যেতে হবে। এলাকায় পৌঁছানোর পর পর্যবেক্ষকদের তাঁদের ফোন নম্বর ও যোগাযোগের ঠিকানা সাধারণ মানুষের জন্য প্রকাশ করতে হবে। প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় বরাদ্দ রাখতে হবে, যাতে রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধি, প্রার্থী বা সাধারণ মানুষ সরাসরি দেখা করে তাঁদের নির্বাচনী অভিযোগ জানাতে পারেন।