কলকাতা লিগ ডার্বি জয়: ‘আমি পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ’ – বিনো জর্জ

মোহনবাগানকে ৩-২ গোলে হারিয়ে উচ্ছ্বসিত ইস্টবেঙ্গল কোচ, সমর্থকদের ধন্যবাদ

কলকাতা, ২৬ জুলাই ২০২৫: কলকাতা লিগের ডার্বিতে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী মোহনবাগান সুপার জায়ান্টকে ৩-২ গোলে হারিয়ে স্বভাবতই উচ্ছ্বসিত ইস্টবেঙ্গল কোচ বিনো জর্জ। ম্যাচের পর তাঁর প্রতিক্রিয়ায় তিনি নিজেকে ‘পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ’ বলে অভিহিত করেছেন।

বিনো জর্জ বলেন, “মোহনবাগান-ইস্টবেঙ্গল ম্যাচ সবসময় একটা যুদ্ধের মতো। যত গোলেই জিতি না কেন, জয়টাই সবসময় আসল। আমি এখন পৃথিবীর সবচেয়ে সুখী মানুষ।” তিনি আরও জানান, “কোচ হিসেবে এটা আমার প্রথম ডার্বি নয়। এর আগে ইয়ুথ ডেভেলপমেন্ট লিগ, জুনিয়ার লিগের ডার্বিও খেলেছি। সব মিলিয়ে মোট ৬টা ডার্বি খেলেছি, যার মধ্যে হার মাত্র একটাতে।”

কোচ বিনো জর্জ সমর্থকদের অকুণ্ঠ সমর্থনের জন্য ধন্যবাদ জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “সমর্থকদের অনেক ধন্যবাদ। তাঁরা যেভাবে মাঠে এসে দলকে সমর্থন জুগিয়েছেন, তার তুলনা হয় না। দলের তরুণ ফুটবলারও খুব ভালো খেলেছে। মোহনবাগানও দারুণ খেলেছে।” তিনি আরও যোগ করেন, “ডেভিডের মতো ফুটবলার দলে থাকায় আমাদের দল আরও শক্তিশালী হয়েছে। বাকিদের খেলাতেও খুশি। ওরা দায়িত্ব নিয়ে দলকে জিতিয়েছে। ডার্বিতে জেতার পর আমাদের দল আত্মবিশ্বাসী হয়ে পরের ম্যাচগুলোতে মাঠে নামবে।”

বিনো জর্জের মতে, তাঁর দল আরও বেশি গোল করতে পারত। তিনি বলেন, “আরও গোল হতে পারত। আমরা অনেক সুযোগ পেয়েছি। কিন্তু কাজে লাগাতে পারিনি। তাছাড়া দলের অনেক খেলোয়াড় আজই প্রথমবার ডার্বি খেলেছে।” কলকাতা লিগকে সবসময় কঠিন প্রতিযোগিতা বলে মনে করেন লাল-হলুদ কোচ। তিনি ডেভিড লালহানসাঙ্গার পারফরমেন্সেও সন্তোষ প্রকাশ করেছেন, কারণ ডেভিড দলের সঙ্গে মাত্র পাঁচদিন অনুশীলন করেছেন।

উল্লেখ্য, ২৬ জুলাই ইস্টবেঙ্গলের কাছে একটি বিশেষ দিন। ২০০৩ সালের এই দিনেই ইস্টবেঙ্গল আশিয়ান কাপ জিতেছিল। এই বিশেষ দিনে ডার্বি জিতে বিনো জর্জ বলেন, “২০০৩ সালে আজকের দিনে আশিয়ান কাপ জিতেছিল ইস্টবেঙ্গল। এই বিশেষ এক গর্বের দিনে ডার্বিতে জিতে ভালো লাগছে।”

এই জয় ইস্টবেঙ্গল শিবিরে নতুন আত্মবিশ্বাস এনে দিয়েছে এবং আগামী ম্যাচগুলোতে দল আরও ভালো পারফর্ম করবে বলে আশা করা হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *