দেশজুড়ে রোজগার মেলা: ৫১ হাজারেরও বেশি যুবকের হাতে নিয়োগপত্র, কলকাতা-খড়গপুর-শিলিগুড়িতেও কর্মমেলা

নিউজ ফ্রন্ট | ১২ জুলাই, ২০২৫

আজ দেশজুড়ে পালিত হল ১৬তম ‘রোজগার মেলা’। কেন্দ্রীয় সরকারের এই কর্মসংস্থানমূলক উদ্যোগে আজ একসঙ্গে ৪৭টি স্থানে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে দেশের ৫১ হাজারেরও বেশি যুবক-যুবতীর হাতে সরকারি চাকরির নিয়োগপত্র তুলে দেন।

 “রোজগার মেলা হল আত্মনির্ভর ভারতের ভিত্তি” — প্রধানমন্ত্রী

ভাষণে প্রধানমন্ত্রী বলেন, “যুব সমাজের ক্ষমতায়ন ও তাদের শক্তিকে কাজে লাগিয়ে ভারতকে বিকশিত দেশ হিসাবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। রোজগার মেলা সেই প্রতিশ্রুতিরই প্রতিফলন।” তিনি আরও বলেন, “সরকারের প্রতিটি উদ্যোগই নতুন প্রজন্মের কর্মসংস্থানকে গুরুত্ব দিচ্ছে।”

১৬তম রোজগার মেলায় কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ড. সুকান্ত মজুমদার বলেন, “দুর্নীতিমুক্ত, স্বচ্ছ নিয়োগের নিশ্চয়তা একমাত্র কেন্দ্রীয় সরকারের পরিকল্পনাই দিতে পারে।” তিনি আরও দাবি করেন, এই মেলার মাধ্যমে তরুণ সমাজের আস্থার প্রতীক হয়ে উঠছে কেন্দ্র।

অন্যদিকে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী অজয় ট্যামটা জানান, “দেশে পরিকাঠামোগত উন্নয়ন অব্যাহত থাকায়, তৈরি হচ্ছে একের পর এক নতুন চাকরি।”

 রাজ্যে কোথায় কোথায় রোজগার মেলা?

পশ্চিমবঙ্গের তিনটি প্রধান জায়গায় রোজগার মেলা অনুষ্ঠিত হয়:

  • কলকাতা: শিয়ালদার বি সি রায় অডিটোরিয়ামে ২১৫ জনের হাতে নিয়োগপত্র প্রদান করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী ডঃ সুকান্ত মজুমদার। তিনি নিজে ২৫ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন।
  • খড়গপুর: দক্ষিণ পূর্ব রেলের সুপারভাইজার ট্রেনিং সেন্টারে ১৫৫ জনের হাতে নিয়োগপত্র তুলে দেন খড়গপুরের বিধায়ক হিরণ চট্টোপাধ্যায়
  • শিলিগুড়ি: সেখানে প্রধান ডাক বিভাগ রেল বিভাগে নিয়োগপত্র বিতরণ করা হয়। সুরেন্দ্র কুমার জানিয়েছেন ৭৫ জন রেল ও চারজন ডাক বিভাগের চাকরি পেলেন ।

🔹 নিয়োগ কোন কোন বিভাগে?

চাকরি প্রদান করা হয়েছে বিভিন্ন কেন্দ্রীয় বিভাগ ও সংস্থায়, যেমন — রেলওয়ে, ডাক বিভাগ, সেন্ট্রাল পাবলিক সেক্টর, সশস্ত্র বাহিনী, আয়কর দপ্তর, ইএসআই এবং অন্যান্য কেন্দ্রীয় দপ্তর

দেশের যুবকদের জন্য তৈরি এই ‘রোজগার মেলা’ শুধু একটি চাকরি পাওয়ার মঞ্চ নয়, বরং তাদের আত্মবিশ্বাস এবং স্বনির্ভরতার দিশাও। কর্মসংস্থানে এই ধারাবাহিক সাফল্য সরকারের প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নের দিকেই ইঙ্গিত দিচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *