নিউজ ফ্রন্ট, ১০ জুলাই:
নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু হতেই বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে র্যাগিংয়ের আতঙ্ক ফের মাথাচাড়া দিচ্ছে। সেই প্রেক্ষিতেই এবার কড়া পদক্ষেপ নিল বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (UGC)। ইউজিসি জানিয়ে দিল, হোয়াটসঅ্যাপ বা অন্য কোনও অনানুষ্ঠানিক অনলাইন গ্রুপের মাধ্যমে যদি কোনও সিনিয়র ছাত্র/ছাত্রী কোনও জুনিয়রকে মানসিক চাপে ফেলে, অপমান করে কিংবা বিরক্ত করে, তবে সেটাও র্যাগিংয়েরই শামিল হবে।
এক নির্দেশিকায় ইউজিসি জানিয়েছে, ক্যাম্পাসে শারীরিক বা মানসিক নিপীড়ন যেমন র্যাগিং, তেমনই ডিজিটাল মাধ্যমে মানসিক চাপে ফেলা বা কটূক্তি করাও সমান অপরাধ হিসেবে দেখা হবে। যেসব সিনিয়র ছাত্র/ছাত্রী এই ধরনের কাজ করবেন, তাঁদের বিরুদ্ধে কঠোর প্রশাসনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউজিসির তরফে উদাহরণ দিয়ে বলা হয়েছে জোর করে চুল কেটে ফেলা, অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করা, জোর করে রাত জাগানো, এই সবই র্যাগিংয়ের সংজ্ঞার মধ্যে পড়ে।
প্রতি বছর র্যাগিংয়ের অভিযোগের সংখ্যা বাড়ছে বলে উদ্বেগ প্রকাশ করেছে ইউজিসি। নতুনদের নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে প্রতিষ্ঠানগুলিকে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে। স্পষ্টভাবে জানানো হয়েছে, হোয়াটসঅ্যাপ গ্রুপগুলিতে নজর রাখতে হবে, প্রয়োজনে সেইসব গ্রুপ বন্ধ করারও নির্দেশ দিতে পারবে কলেজ বা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।
ইউজিসি-র বক্তব্য, “ছাত্রছাত্রীদের নিরাপত্তা আমাদের সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার। কোনওরকম র্যাগিং সহ্য করা হবে না।” তাই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলিকে স্পষ্ট নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যেন নবাগতরা একটি নিরাপদ, ইতিবাচক ও বন্ধুত্বপূর্ণ পরিবেশে পড়াশোনা করতে পারে।