বহরমপুর স্টেডিয়ামে পুলিশ নিয়োগে জালিয়াতি
নিজস্ব প্রতিনিধি, বহরমপুর: পুলিশ হওয়ার স্বপ্নে অন্যের পরিচয়পত্র নিয়ে প্রক্সি দিতে গিয়ে পুলিশের জালে ধরা পড়ল এক যুবক। বুধবার সকালে বহরমপুর স্টেডিয়ামে পশ্চিমবঙ্গ পুলিশের কনস্টেবল নিয়োগের শারীরিক মাপজোখ ও দক্ষতা যাচাইয়ের (PMT/PET) প্রক্রিয়া চলাকালীন এই ঘটনা ঘটে। ধৃত যুবককে ইতিমধ্যেই বহরমপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।
আজ সকাল ঠিক ৮:৩৫ মিনিট নাগাদ বহরমপুর স্টেডিয়ামে পরীক্ষার্থীদের পরিচয়পত্র ও অন্যান্য নথি যাচাই করার কাজ চলছিল। পিএমটি (Physical Measurement Test) পরীক্ষা শুরুর আগে কড়া চেকিংয়ের সময় কর্তব্যরত পুলিশ আধিকারিকদের সন্দেহ হয় এক যুবকের ওপর। নথিপত্রের ছবির সঙ্গে যুবকের চেহারার অমিল দেখা দেওয়ায় তাকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ শুরু হয়। দীর্ঘক্ষণ জেরার পর ওই যুবক স্বীকার করে যে সে আসল প্রার্থীর পরিবর্তে পরীক্ষা দিতে এসেছিল।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে ধৃত ওই যুবকের নাম সুজন দাস। বাড়ি মুর্শিদাবাদের বড়ঞা এবং পলাতক প্রার্থীর নাম নাজির রহমান (বয়স ২৮) বাড়ি বীরভূমের মুরারই।
পুলিশ যখন সুজন দাসকে জেরা করছিল এবং জালিয়াতি হাতেনাতে ধরা পড়ে যায়, সেই সময় স্টেডিয়াম চত্বরে উপস্থিত থাকা আসল প্রার্থী নাজির রহমান গ্রেফতার এড়াতে এলাকা ছেড়ে চম্পট দেয়। পুলিশ তার খোঁজে তল্লাশি শুরু করেছে।
আটক সুজন দাসকে গ্রেফতার করে বহরমপুর থানায় নিয়ে আসা হয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে সুজন দাস এবং আসল প্রার্থী নাজির রহমান উভয়ের বিরুদ্ধেই জালিয়াতি ও প্রতারণার মামলা রুজু করা হচ্ছে। এই জালিয়াতি চক্রের পেছনে কোনো বড়সড় ‘র্যাকেট’ কাজ করছে কি না, তাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।