নিউজ ফ্রন্টঃ গত শুক্রবার ইউনিভার্সিটি ইন্সটিটিউট হলে সংবিৎ য়ের উপস্থাপনায় অনুষ্ঠিত হল নাটক ‘গোরা ১৯৯২’।এটি সংবিৎয়ের আরেকটি ব্যতিক্রম প্রযোজনা।এই নাটকের বেপ্তি ১৯৬৯ সালের বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ থেকে ১৯৯২ সালের ৬ ডিসেম্বর বাবরি মসজিদ ধ্বংস অবধি।এখানে উঠে আসে ব্রাহ্ম ও হিন্দু ধর্মের সংঘাত হিন্দু -মুসলমান জাত, ধর্ম নিয়ে রাজনীতির হস্তক্ষেপ। মুক্তি যোদ্ধা সইফুল -ফরজানার যুদ্ধে মৃত্যুর পরে অনাথ পুত্র গৌরমোহন বড়ো হয়ে ওঠে কৃষ্ণদয়াল -আনন্দময়ীর হিন্দু পরিবারে।তার আবার পরিচয় হয় শিক্ষাব্রতী ওয়ারিশ খানের স্নেহধন্যা সংস্কৃত নিয়ে পড়াশোনা করা মুসলিম কন্যা সুচরিতার সঙ্গে।

নাটক এগিয়ে চলে কট্টর মুসলিম নেতা হাসান আলি, সুচরিতা আর গৌরমোহনের বিবাদ, বিতর্ক আর ত্রিকোন প্রেমে।আবেগ বিসর্জন দিয়ে হিন্দুত্বের যাত্রা পারি হিন গৌরমোহন। সেদিনই প্রকাশ হয় অসুস্থ কৃষ্ণদয়ালের মুখে তার আত্মপরিচয়। সাম্প্রদায়িক বিষ ট্রাজেডির আগুনে পুড়ে জন্ম দেয় নবচৈতন্নর নায়ক গৌরমোহন আজাদের।নাটকে ধরা দেয় দৃষ্টিনন্দন নাচ ও রবীন্দ্রগান।নাটকে অংশগ্রহণ করেন দেবাশিস, সায়ন, শিল্পা, কিশোর,প্রদীপ, রঞ্জনা,শুভাশিস, শীর্ষেন্দু, মীনাক্ষী, চন্দ্রানী, উপল, মনোতোষ, জুয়ানিতা, ঋত্বিক, সুপর্ণা, পর্নিকা, শ্রীলতা, চন্দ্র। নাট্যকার ইন্দ্র মাইতিকে তার সব নাটকের মত এই নাটকেও সাফল্যর জন্য ধন্যবাদ জানানো হয়।
