জনগণনা ২০২৭ সালের জন্য কেন্দ্র সরকার দুই ধাপে শুমারির সিদ্ধান্ত নিয়েছে। এর সঙ্গে জাতি গণনাও করা হবে। প্রথম ধাপে জম্মু-কাশ্মীর, লাদাখ, হিমাচল প্রদেশ ও উত্তরাখণ্ডের পার্বত্য ও তুষারাবৃত এলাকায় ১ অক্টোবর ২০২৬ থেকে শুমারি শুরু হবে। দ্বিতীয় ধাপে দেশের অন্যান্য অংশে শুমারি হবে ১ মার্চ ২০২৭ থেকে।
নিউজ ফ্রন্ট, ৪ জুনঃ
দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর কেন্দ্রীয় সরকার ঘোষণা করল যে আগামী জনগণনা ২০২৭ সালে অনুষ্ঠিত হবে দুই পর্বে। প্রথমবারে এই শুমারির অন্তর্ভুক্ত থাকবে জাতি গণনাও। সরকার জানিয়েছে, প্রথম ধাপ শুরু হবে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর, জম্মু-কাশ্মীর, হিমাচল প্রদেশ, উত্তরাখণ্ড এবং লাদাখের পাহাড়ি ও বরফাবৃত অঞ্চলে। দ্বিতীয় ধাপে ভারতের অন্যান্য রাজ্যে শুমারি হবে ১ মার্চ ২০২৭ থেকে।
এই শুমারির রেফারেন্স তারিখ রাখা হয়েছে ২০২৭ সালের ১ মার্চ রাত ১২টা, তবে উপরের চারটি রাজ্যের বরফাবৃত অঞ্চলের জন্য রেফারেন্স তারিখ হবে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর।
সরকার জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ১৬ জুন সরকার জনগণনা নিয়ে অফিসিয়াল গেজেটে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করবে, যা শুমারির আইনি প্রক্রিয়া শুরুর মূলধারার অংশ।
প্রসঙ্গত, শেষবার ২০১১ সালের জনসংখ্যা শুমারিও হয়েছিল দুই ধাপে—প্রথম ধাপে হাউস লিস্টিং (এপ্রিল-সেপ্টেম্বর ২০১০) এবং দ্বিতীয় ধাপে জনসংখ্যা গণনা (ফেব্রুয়ারি ২০১১)। এরও আগে ২০২১ সালের শুমারি নির্ধারিত ছিল—প্রথম ধাপ: এপ্রিল-সেপ্টেম্বর ২০২০ এবং দ্বিতীয় ধাপ: ফেব্রুয়ারি ২০২১। কিন্তু কোভিড-১৯ মহামারির কারণে শুমারি সেই সময়ে স্থগিত রাখা হয়, যদিও প্রথম ধাপের যাবতীয় প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছিল।
ভারতের জনগণনা বিশ্বের বৃহত্তম প্রশাসনিক ও পরিসংখ্যান ভিত্তিক কার্যক্রমগুলির মধ্যে অন্যতম। এটি দেশের জনসংখ্যা, অর্থনীতি, সমাজ ও সংস্কৃতির সামগ্রিক চিত্র তুলে ধরে এবং পরে বিভিন্ন সমীক্ষা ও সরকারি নীতিনির্ধারণের ভিত্তি হিসেবে ব্যবহৃত হয়।