স্নাতকস্তরের ভর্তির পোর্টালে সামাজিক বিন্যাসের তথ্য জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা আজ রাত ১২টা

সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশে পোর্টাল পুনরায় খোলা হলেও এখনও তথ্য জমা দেননি বহু আবেদনকারী, উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের কড়া বার্তা

নিউজ ফ্রন্ট, কলকাতা: রাজ্যের কলেজগুলিতে স্নাতক স্তরে ভর্তির জন্য তৈরি কেন্দ্রীয় পোর্টালের মাধ্যমে আবেদনকারী পড়ুয়াদের জন্য এক গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশিকা জারি করল রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তর। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, যে সমস্ত আবেদনকারীরা এখনও পর্যন্ত তাঁদের সামাজিক বিন্যাসের (Social Category) বিস্তারিত তথ্য পোর্টালে জমা দেননি, তাঁদের আজ, অর্থাৎ ৫ই আগস্ট, রাত ১২টার (১১টা ৫৯ মিনিট ৫৯ সেকেন্ড) মধ্যে এই তথ্য জমা দিতে হবে। এটিই চূড়ান্ত সময়সীমা, এরপর আর কোনো সুযোগ দেওয়া হবে না।

গত ১৭ই জুন এই কেন্দ্রীয় পোর্টালটি চালু হয়েছিল। প্রাথমিকভাবে আবেদনকারীদের তাদের সামাজিক বিভাগের তথ্য জমা দিতে বলা হয়েছিল। কিন্তু অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যায়, এই তথ্য অসম্পূর্ণ ছিল অথবা জমা দেওয়া হয়নি। পরবর্তীতে মাননীয় সুপ্রিম কোর্টের একটি নির্দেশের (SLP (C) No.17422 of 2025) পরিপ্রেক্ষিতে রাজ্যের উচ্চ শিক্ষা দপ্তর গত ২৯শে জুলাই থেকে পোর্টালে এই নির্দিষ্ট তথ্য আপডেটের জন্য পুনরায় সুযোগ দেয়। এই সুযোগ দেওয়া সত্ত্বেও বহু আবেদনকারী এখনও পর্যন্ত এই জরুরি কাজটি করেননি।

উচ্চ শিক্ষা দপ্তরের জারি করা বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, “যে সমস্ত প্রার্থীরা এখনও পর্যন্ত কেন্দ্রীয় ভর্তি পোর্টালে তাঁদের সামাজিক বিভাগের স্ট্যাটাস আপডেট করেননি, তাঁদেরকে অবিলম্বে আজ, ৫ই আগস্ট, রাত ১২টার মধ্যে এই তথ্য জমা দিতে হবে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তথ্য জমা দিতে ব্যর্থ হলে, মেধা তালিকা তৈরির সময় তাঁদেরকে আইনি পরামর্শ অনুযায়ী বিবেচনা করা হবে।”

এই কড়া বার্তার ফলে স্পষ্ট বোঝা যাচ্ছে, নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তথ্য জমা না দিলে সংরক্ষিত বিভাগের (SC, ST, OBC, EWS) প্রার্থীদের আবেদন সাধারণ বা জেনারেল ক্যাটেগরিতে বিবেচিত হতে পারে। এর ফলে তাঁরা সংরক্ষণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হবেন এবং তাঁদের ভর্তির সুযোগ কমে যেতে পারে। তাই সমস্ত আবেদনকারীকে অবিলম্বে পোর্টালে লগইন করে নিজেদের সামাজিক বিভাগের তথ্য সঠিকভাবে জমা করার জন্য দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বলা হয়েছে।

উচ্চ শিক্ষা দপ্তর আরও জানিয়েছে, এই নির্ধারিত সময়সীমা পার হওয়ার পর সামাজিক বিভাগের স্ট্যাটাস পরিবর্তনের জন্য কোনো আবেদন গ্রাহ্য করা হবে না। এই পরিস্থিতিতে, হাজার হাজার ছাত্রছাত্রীর ভবিষ্যৎ নির্ভর করছে তাদের দ্রুত সিদ্ধান্তের ওপর।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *