হিন্ডন বিমানবন্দর থেকে ৯টি নতুন উড়ান চালু: দিল্লি বিমানবন্দরের ভিড় কমাতে ও আঞ্চলিক যোগাযোগ বাড়াতে বড় পদক্ষেপ। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু উদ্বোধন করলেন, ইন্ডিগো ও এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেসের পরিষেবা
নিউজ ফ্রন্ট, নয়াদিল্লি, ২১ জুলাই: উত্তরপ্রদেশের গাজিয়াবাদের হিন্ডন বিমানবন্দর থেকে দেশের নয়টি প্রধান শহরে সরাসরি বিমান পরিষেবা আজ সোমবার থেকে শুরু হয়েছে। এর মূল উদ্দেশ্য হলো দিল্লির ইন্দিরা গান্ধী আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের (IGI) ওপর চাপ কমানো এবং আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগ বৃদ্ধি করা। কেন্দ্রীয় অসামরিক বিমান চলাচল মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু কিনজারাপু এই নতুন উড়ানগুলির উদ্বোধন করেছেন।

নতুন চালু হওয়া এই ফ্লাইটগুলো বেঙ্গালুরু, কলকাতা, বারাণসী, গোয়া, পাটনা, চেন্নাই, মুম্বাই, আহমেদাবাদ এবং ইন্দোরের মতো গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলিকে সংযুক্ত করবে। ইন্ডিগো এয়ারলাইন্স এই রুটে তাদের পরিষেবা শুরু করেছে, যা হিন্ডন বিমানবন্দরে তাদের দ্বিতীয় উপস্থিতি। এর আগে চার মাস আগে এয়ার ইন্ডিয়া এক্সপ্রেস এই বিমানবন্দর থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করেছিল।
মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু এই অর্জনকে “সাধারণ ভারতীয়দের উচ্চাকাঙ্ক্ষা ও আকাঙ্ক্ষার উড়ান” বলে অভিহিত করেছেন। তিনি জোর দিয়ে বলেন যে, এই পদক্ষেপ আঞ্চলিক বিমান যোগাযোগকে উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে তুলবে, বিশেষ করে ন্যাশনাল ক্যাপিটাল রিজিয়ন (NCR) এবং পশ্চিম উত্তরপ্রদেশের কিছু অংশের জন্য এটি অত্যন্ত সহায়ক হবে। দুটি বিমানবন্দর থেকে কার্যক্রম পরিচালনার ফলে জাতীয় রাজধানী অঞ্চলের যাত্রীরা আরও দক্ষতার সাথে পরিষেবা পাবেন।

কেন্দ্রীয় মন্ত্রী রাম মোহন নাইডু কিনজারাপু এক্স (পূর্বের ট্যুইটার) হ্যান্ডেলে একটি পোস্টে লিখেছেন: “আজ গাজিয়াবাদের সাংসদ অতুল গর্গের সঙ্গে হিন্ডন বিমানবন্দর থেকে ১০টি নতুন ফ্লাইটের উদ্বোধন করা হলো।” (যদিও মূল সিনপসিস ও স্টোরিলাইনে ৯টি ফ্লাইটের কথা বলা হয়েছে, মন্ত্রীর এক্স পোস্টের তথ্য অনুযায়ী ১০টি রুটের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।) তিনি ইন্ডিগো-কে হিন্ডন থেকে তাদের কার্যক্রম শুরু করার জন্য অভিনন্দন জানিয়েছেন।
হিন্ডন বিমানবন্দর ২০১৯ সালে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর দূরদর্শী ‘উড়ান’ (UDAN) প্রকল্পের অধীনে তৈরি হয়েছিল। এটি একটি অনুন্নত বিমানবন্দর থেকে একটি প্রতিশ্রুতিশীল বেসামরিক এনক্লেভে রূপান্তরিত হয়েছে। তখন থেকে হিন্ডনে বিমানের চলাচল ১০ গুণেরও বেশি বেড়েছে এবং যাত্রী সংখ্যাও দশগুণ বৃদ্ধি পেয়ে বছরে ৮০,০০০-এর বেশি হয়েছে।

সরকার ২০৩০ সালের মধ্যে ভারতকে একটি বৈশ্বিক বিমান চলাচল কেন্দ্রে পরিণত করার লক্ষ্য নিয়েছে। ক্রমবর্ধমান সংযোগ এবং যাত্রী সংখ্যা বৃদ্ধির সাথে সাথে, সরকার এখন হিন্ডন বিমানবন্দরের যাত্রী ধারণ ক্ষমতা বাড়ানোর জন্য কাজ করছে।